কুকুরের কাজ কুকুরে করেছে, কামড় দিয়েছে পায়, তাই বলে কি ….

: সব বন্ধ করে দিতে হবে।

– বন্ধ করে দিতে হবে?
: হ্যা বন্ধ, নাহয় সরকারীকরণ।
– কেন?
: জামাত শিবিরের ফান্ডিং বন্ধ হবে
– তাতে লাভ হবে? নতুন নতুন রাস্তা তৈরী হবে।
: তাহলে পুরা জামাত শিবির নির্মূল করতে হবে
– কিভাবে?
: শুনেন, প্রথমে আমরা ওদের সব ব্যাবসা বন্ধ করব, তারপর ওদের নেতাগুলারে শেষ করব। ব্যাবসা দখল করব, বাড়িঘর জালায়া দিব। পাকিস্তানে পাঠায়া ছাড়ব।
– কিন্তু যেই হাজার হাজার কর্মী আছে ওদের কি হবে?
: ওদেরকেও শেষ করব
– নতুন তৈরী হবে না?ওরাতো মসজিদ মাদ্রাসা সব জায়গায় আছে
: আরে কি বলেন? মাদ্রাসাও বন্ধ করা হবে। জঙ্গি আর শিবির তৈরীর কারখানা সব ধ্বংস করা হবে।
– জামাত যেই সব মসজিদ চালায়? যেই মসজিদের ইমাম জামাতের?
: ভাই সব বন্ধ হবে, সব। একটাও থাকতে দিব না। এই বাংলার মাটিতে জামাত শিবিরের বীজ উত্পাটন করা হবে।
– মসজিদ ও বন্ধ করবেন?
:  হ ভাই, লাগলে মসজিদ ও বন্ধ করব। এখন চলেন মোমবাতি ধরায়া মিছিলে চলেন, দুইটা স্লোগান দেন।
– কি স্লোগান আজকে?
: শিবিরের বাড়িঘর, একটা একটা দখল কর। একটা একটা শিবির ধর, ধৈরা ধৈরা জবাই কর।
– কি বলেন? বাড়িঘর দখল করবেন?
: খালি দখল না, আগুন ধরায়া দিমু।
– একটা মানুষ কে ধরে তার অপরাধ বিচার না করে জবাই করবেন?
: অবশ্যই। মানবতাবিরোধী কাজ যারা করে তাদের কোনো মুক্তি নাই।
– ভাই, নির্বিচারে মানুষ ধরে বাড়িঘর দখল করবেন আপনি, জালায়া দিবেন আপনি, জবাই করবেন আপনি, মসজিদ মাদ্রাসা বন্ধ করে দেবেন আপনি, এগুলা মানবতা বিরোধী হবে না?
: ওই মিয়া, আপনে কি রাজাকার নাকি?
– না ভাই, আমি বাংলাদেশের একজন নিরপেক্ষ শান্তিপ্রিয় নাগরিক। আমি আইন নিজের হাতে তুলে নেবার পক্ষে নই। আমি রাজাকারের বিচার চাই। গৃহযুদ্ধ চাই না। শিবির তান্ডব চালিয়েছে, তাই বলে আমি তান্ডব চালাব না। শিবির কে পেটানোর জন্য পুলিশ আছে, RAB আছে, আর্মি আছে। আমি মানবিকতার পক্ষে। বিনা বিচারে কাউকে শাস্তি দেবার পক্ষে আমি নই। যেই স্লোগান আপনি দিলেন তার সাথে আমি ৭১ এর দখলদার পাক হানাদার বাহিনীর সাথে কোনো তফাত খুঁজে পাচ্ছি না। সরি ভাই, আপনার সাথে আমি মিছিলে যাব না। আমার স্লোগান ভিন্ন, আমার স্লোগান হলো “একটা একটা শিবির ধর, ধৈরা ধৈরা বিচার কর”।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *